ফারহান তানভীর :
বাংলা চলচ্চিত্রের দুই প্রান্তের দুই শক্তিশালী নাম-চঞ্চল চৌধুরী ও দেব। একজন বাস্তবধর্মী অভিনয়ের অনন্য প্রতীক, অন্যজন আধুনিক বাণিজ্যিক ধারার সুপারস্টার। এই দুই তারকার একসঙ্গে কাজ করার সম্ভাবনা নিয়ে দর্শকদের কৌতূহল বহুদিনের। সম্প্রতি সেই প্রসঙ্গে খোলামেলা কথা বলেছেন চঞ্চল চৌধুরী, যা নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

চঞ্চল চৌধুরীর ভাষ্য অনুযায়ী, দেবের সঙ্গে তার কাজ করার কথা ছিল ‘খাদান’ সিনেমায়। শুধু তাই নয়, তার আগে আরও একটি ছবিতেও একসঙ্গে কাজ করার পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু শিডিউল জটিলতার কারণে সেই সুযোগ বাস্তবে রূপ নেয়নি। চঞ্চল স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, সময়সূচির সংঘর্ষই ছিল মূল বাধা-কোনো ব্যক্তিগত দ্বন্দ্ব বা অনিচ্ছা নয়।এই প্রসঙ্গে চঞ্চল একটি সংবেদনশীল বিষয়ও উল্লেখ করেন। তার প্রতি দেবের একটি অভিমান রয়েছে বলে জানান তিনি। দেব বহুবার চেয়েছেন চঞ্চল তার সঙ্গে কাজ করুন এবং চঞ্চলও একইভাবে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। দেশে ও বিদেশে বিভিন্ন চলচ্চিত্র উৎসব ও অনুষ্ঠানে তাদের একসঙ্গে আড্ডা দেওয়ার স্মৃতির কথাও তুলে ধরেন তিনি। এমনকি সর্বশেষ সাক্ষাতে চঞ্চল দেবকে আশ্বাস দিয়েছেন-ভবিষ্যতে তারা অবশ্যই একসঙ্গে কাজ করবেন।

এই বক্তব্য শুধু দুই অভিনেতার ব্যক্তিগত সম্পর্কের গল্প নয় বরং এটি বাংলা চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রির একটি গুরুত্বপূর্ণ দিকও তুলে ধরে। বড় তারকাদের সময়সূচি, প্রযোজনা জটিলতা, এবং বাজারগত বাস্তবতা-সব মিলিয়ে অনেক সম্ভাব্য সহযোগিতা বাস্তবে রূপ নেয় না। চঞ্চল-দেব জুটি সেই অসমাপ্ত সম্ভাবনার একটি প্রতীক হয়ে উঠেছে।এই বক্তব্য শুধু দুই অভিনেতার ব্যক্তিগত সম্পর্কের গল্প নয়, বরং বাংলা চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রির বাস্তবতার প্রতিফলন। বড় তারকাদের শিডিউল, প্রযোজনার জটিলতা এবং বাজারগত বাস্তবতা অনেক সময় কাঙ্ক্ষিত সহযোগিতাকে থামিয়ে দেয়। চঞ্চল ও দেবের ক্ষেত্রে সেটাই হয়েছে-ইচ্ছা ও আগ্রহ থাকা সত্ত্বেও সময়সূচির সংঘর্ষ তাদের একসঙ্গে কাজ করার সুযোগ কেড়ে নিয়েছে।তবে চঞ্চল চৌধুরীর বক্তব্যে স্পষ্ট, এই অধ্যায় এখনও শেষ হয়নি।

দেবের সঙ্গে সর্বশেষ সাক্ষাতে আবারও একসঙ্গে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি। তাই দর্শকদের আশা-ভবিষ্যতে এই দুই শক্তিশালী অভিনেতাকে একই ফ্রেমে দেখা যাবে, যা দুই বাংলার সিনেমার জন্য একটি বড় ঘটনা হয়ে উঠতে পারে।